পাকশী পেপার মিলের দামি গাছসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল বিক্রি ও পাচারের তদন্ত দাবি



ক্যাপশন ঃ গোপনে বিক্রি করা গাছের গোড়া ও মালামালের একাংশ।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বন্ধ থাকা ও সেনাবাহিনীর নিকট বিক্রি করা পাকশী পেপার মিলের দামি গাছ ও গুরুত্বপূর্ণ মালামাল গোপনে বিক্রি ও পাচার করা হচ্ছে। মিলের এমডিসহ কতিপয় নেতার সমন্বয়ে গোপনে গঠিত সিন্ডিকেট সদস্যরা বিগত প্রায় এক মাস থেকে লাখ লাখ টাকার গাছ ও কয়েক কোটি টাকার সম্পদ বিক্রি ও মালামাল পাচার করেছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জরুরি তদন্ত ও প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাকশীর একাধিক যুবলীগ নেতা ও স্থানীয়দের দেওয়া অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।




সূত্রমতে, রুপপুর পরমাণু প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে সেনাবাহিনীর জন্য বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য পাকশী পেপার মিলের জাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সেনা কর্তৃপক্ষের নিকট সম্প্রতি বিক্রি করা হয়েছে। আগামি ৩১ ডিসেম্বর পাকশী পেপার মিলের জাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সেনাবাহিনীর নিকট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে। সে কারণে সিন্ডিকেট সদস্যরা মিল চত্বর ও স্কুল এলাকার বেশ কয়েকটি দামি কড়ই গাছ বিক্রির জন্য দরপত্র আহবান করে সিডিউল বিক্রি করেন। সিডিউল বিক্রির পর করোনার অজুহাত দেখিয়ে দরপত্র দাখিলের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে বলে দরপত্র ক্রেতাদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। রহস্যজনক হলেও সত্য যে, মিলের এমডি ঐ সিন্ডিকেট সদস্যদের সহযোগিতায় দরপত্র ক্রেতাদের না জানিয়ে গোপনে অন্য ক্রেতাদের কাছে কয়েক লাখ টাকার বেশ কয়েকটি গাছ বিক্রি করে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে দরপত্র ক্রেতারা মিলের এমডির কাছে জানতে চাইলে তিনি সঠিক জবাব দিতে পারেন নি। একইভাবে মিলের অনেক দামি পাইপসহ অন্যান্য মালামালও বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এসব বিষযে জানার জন্য ঈশ^রদীর সাংবাদিকরা এমডির সাথে বার বার দেখা করে বিষয়টি জানা এবং এমডির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও এমডির সাথে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তবে মিলের সিকিউরিটি ইনচার্জ গাউস গাছ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান মসজিদের উন্নয়নের জন্য অন্য পার্টির কাছে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। গাউস আরও বলেন,আগামি ৩১ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর নিকট বিক্রি করা পেপার মিলের সব মালামাল বুঝিয়ে দিতে হবে তাই এমডি স্যার ব্যস্ত আছেন্ তিনি সাংবাদিকদের সময় দিতে পারবেন না এমনকি কথাও বলতে পারবেন না। এ দিকে মিলটি বন্ধ হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া প্রায় ৮’শ পরিবারের অনেকেই প্রধান মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা এবং বর্তমান এমডির দায়িত্ব কালিন সময়ে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ বিক্রির সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেছেন।#



No comments

Powered by Blogger.